বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জেলা কোনটি

Rate this post

বাংলাদেশের সবথেকে বড় জেলা কোনটি ? বাংলাদেশের বৃহত্তম জেলা রাঙ্গামাটি । আয়তনে বাংলাদেশের বৃহত্তম জেলা রাঙামাটি (৬১১৬ ব: কি:মি:) জনসংখ্যায় বাংলাদেশের বৃহত্তম জেলা – ঢাকা (১৪৬৩.৬০ কিমি২ (৫৬৫.১০ বর্গমাইল) আয়তনে।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জেলা কোনটি

বাংলাদেশের জেলা পরিচিতি:
প্রশ্ন: আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জেলা কোনটি?
উ: রাঙ্গামাটি জেলা ( ৬,১১৬ বর্গ কিলোমিটার)।
প্রশ্ন: আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট জেলা কোনটি?
উ: মেহেরপুর জেলা ( ৭১৬ বর্গ কিলোমিটার )।
প্রশ্ন: জনসংখ্যায় বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জেলা কোনটি?
উ: ঢাকা জেলা ( জনসংখ্যা-১,২৫,১৭,৩৬১ জন )-২০১১ আদমশুমারির রিপোট অনুযায়ি।
প্রশ্ন: জনসংখ্যায় বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট জেলা কোনটি?
উ: বান্দরবান জেলা ( জনসংখ্যা-৪,০৪,০৯৩ জন )সুত্র-আদমশুমারির রিপোর্ট-২০১১।
প্রশ্ন:বাংলাদেশের কোন জেলায় জনসংখ্যার বৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি?
উ: গাজীপুর জেলা ( ৫.২১% )সূত্র-আদমশুমারির রিপোর্ট-২০১১।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের কোন জেলায় জনসংখ্যার বৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম?
উ: বাগেরহাট জেলা (-০.৪৭%) সূত্র-আদমশুমারি রিপোর্ট-২০১১।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের কোন জেলায় জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি?
উ: ঢাকা জেলা ( প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৮,২২৯ জন) রিপোর্ট-২০১১।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের কোন জেলায় জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম?
উ: বান্দরবান জেলা (প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৮৭ জন) রিপোর্ট-২০১১।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের কোন জেলায় জনসংখ্যার অনুপাত সবচেয়ে বেশি?
উ: ঢাকা জেলা(পুরুষ-১১৯ : নারী-১০০)রিপোর্ট-২০১১।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের কোন জেলায় জনসংখ্যার অনুপাত সবচেয়ে কম?
উ: চাঁদপুর জেলা(পুরুষ-৯০ : নারী-১০০) রিপোর্ট-২০১১।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের কোন জেলায় স্বক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি?
উ: ঢাকা জেলা (৭০.৫%) রিপোর্ট-২০১১।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের কোন জেলায় স্বাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম?
উ: সুনামগঞ্জ জেলা(৩৫.০%)রিপোর্ট-২০১১।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের কোন জেলায় উপজেলার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি?
উ: কুমিল্লা জেলা(১৬টি উপজেলা)।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের কোন জেলার উপজেলার সংখ্যা সবচেয়ে কম?
উ: মেহেরপুর ও নড়াইল জেলা(৩টি উপজেলা)।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের কোন জেলায় থানার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি?
উ: ঢাকা জেলা (৫৬টি থানা)।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের কোন জেলায় থানার সংখ্যা সবচেয়ে কম?
উ: মেহেরপুর জেলা(৩টি থানা)।
প্রশ্ন: আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উপজেলা কোনটি?
উ: শ্যামনগর উপজেলা, সাতক্ষীরা( ১৯৬৮.১৩ বর্গ কিলোমিটার)।
প্রশ্ন: আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট উপজেলা কোনটি?
উ: বন্দর উপজেলা, নারায়ণগঞ্জ(৫৪.৩৯ বর্গ কিলোমিটার)।
প্রশ্ন: আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট থানা কোনটি?
উ:ওয়ারী থানা, ঢাকা (আয়তন-০০০ বর্গ কিলোমিটার)।
প্রশ্ন: জনসংখ্যায় বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় থানা কোনটি?
উ: গাজীপুর সদর থানা, গাজীপুর (জনসংখ্যা-১৮,৯৯,৫৭৫ জন)।
প্রশ্ন: জনসংখ্যায় বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট থানা কোনটি?
উ: বিমানবন্দর থানা, ঢাকা(জনসংখ্যা-১১,০৭২ জন)।
বাংলাদেশের মন্ত্রাণালয়:
প্রশ্ন: মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক প্রধান কে?
উ: সচিব।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জেলা কোনটি
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জেলা কোনটি

প্রশ্ন: প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়ের প্রধান কে?
উ: মুখ্য সচিব।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের মোট মন্ত্রণালয়ের সংখ্যা কতটি?
উ: ৪১টি।(প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির মন্ত্রণালয়সহ)
প্রশ্ন: খাদ্য ও দুর্গোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়কে ভেঙ্গে খাদ্য মন্ত্রণালয় এবং দুর্যোগ ব্যবসস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় নামে দুটি পৃথক মন্ত্রণালয় গঠন করা হয় কবে?
উ: ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১২ সালে।
প্রশ্ন: রেলপথ এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় গঠিত হয় কবে?
উ: ৪ ডিসেম্বর ২০১১ সালে।
প্রশ্ন: যোগাযোগ মন্ত্রাণালয়ে রেলবিভাগকে কবে রেলপথ মন্ত্রণালয় নামে আলাদা মন্ত্রণালয় করা হয়।
উ: ৪ ডিসেম্বর ২০১১ সালে।
প্রশ্ন: বিজ্ঞান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়কে কবে ২টি আলাদা মন্ত্রণালয়ে রুপান্তরিত করা হয়?
উ: ৪ ডিসেম্বর ২০১১ সালে(বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়)।
প্রশ্ন: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় কবে গঠিত হয়?
উ: ২ জানুয়ারি,২০০৩।
প্রশ্ন: প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠিত হয় কবে?
উ: ২০ ডিসেম্বর,২০০১।
প্রশ্ন: পার্বত্য চট্রগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় কবে গঠিত হয়?
উ: ১৫ জুলাই, ১৯৯৮।
প্রশ্ন: শ্রম ও জনশক্তি মন্ত্রণালয়ের বর্তমান নাম কী?
উ: শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।
প্রশ্ন: সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের বর্তমান নাম কী?
উ: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
প্রশ্ন: বস্ত্র মন্ত্রণালয় কোন মন্ত্রণালয়ের সাথে সংযুক্ত করে?
উ: বস্ত্রকে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়।
প্রশ্ন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের নাম কবে পরিবর্তন করে বিজ্ঞান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় নামকরণ করা হয়েছিল?
উ: ১১ এপ্রিল, ২০০২ সালে।
প্রশ্ন: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ইংরেজি নাম কী?
উ: Ministry of Liberation War Affairs.
প্রশ্ন: সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের বর্তমান নাম কী?
উ: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়(Ministry of Public Administration).
প্রশ্ন: ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়কে পুনর্গঠন করা হয় কবে?
উ: ১০ ফেব্রুয়ারি,২০১৪।
প্রশ্ন: ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ইংরেজি নাম কী?
উ: Ministry of Posts, Telecommunications and Information Technology.
প্রশ্ন: ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়কে পুনর্গঠন রে এর আওতায় কতটি বিভাগ গঠন করা হয়?
উ:দুটি।(১) ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ ও (২) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ।
প্রশ্ন: অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিভাগ কয়টি ও কী কী?
উ: তিনটি। যথা: অর্থ বিভাগ, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ।
প্রশ্ন: মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত প্রতিটি কমিটির সদস্য সংখ্যা কত? এ কমিটির সভাপতি কে?
উ: ১০ জন। সভাপতি থাকেন একজন সংসদ সদস্য।
প্রশ্ন: মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কোন ম্ত্রণালয়ের অধীনে?
উ: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
প্রশ্ন: দুর্নীতি দমন কমিশন কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন?
উ: প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়।
প্রশ্ন: বাংলাদেশে সরকারের প্রশাসনিক কাঠামোর উৎস কী?
উ: সচিবালয়।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের কোন কোন মন্ত্রণালয়কে ধূমপানমুক্ত এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে?
উ: তথ্য ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে।
প্রশ্ন: বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও তার বিভাগসমূহের অফিসগুলোকে একত্রে কী বলা হয়?
উ: সচিবালয়।
প্রশ্ন: বাংলাদেশে সচিবালয়ের প্রশাসনিক কাঠামোর সর্বনিম্নে কে আছেন?
উ: সহকারী সচিব।
প্রশ্ন; বাংলাদেশ সচিবালয়ের প্রশাসনিক কাঠামোর সবার উপরে কে আছেন?
উ: মন্ত্রী।

আরো জানুন: আবু ত্বহা মুহাম্মদ আদনান এর বাড়ি কোথায়

১.রাঙ্গামাটিঃ

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরুপ লীলাভূমি রাঙ্গামাটির আয়তন ৬১১৬ বর্গকিমি।এটি আয়তনে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ জেলা।জেলাটিতে ১০ টি উপজেলা ও ২ টি পৌরসভা আছে।রাঙ্গামাটি দেশের একমাত্র রিকশাবিহীন শহর।দেশের সর্ববৃহৎ হ্রদ কাপ্তাই এই জেলাতেই অবস্থিত,যার আয়তন ৭২৫ বর্গকিমি।বাংলাদেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরি করা হয়েছে এই হ্রদে বাঁধ দিয়েই।জেলাটিতে চাকমা,মুরং,মারমাসহ প্রায় ১৪ টি উপজাতি বাস করে।ভারত ও মিয়ানমার,উভয় দেশের সাথেই সীমান্ত সংযোগ আছে রাঙ্গামাটির।

২.চট্টগ্রামঃ

বাংলাদেশের প্রবেশদ্বার ও বানিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামের আয়তন ৫২৮৩ বর্গকিমি।আয়তনে এটি দেশের ২য় সর্ববৃহৎ জেলা।পাহাড়,সমুদ্র,উপত্যকা,বনাঞ্চল,ঝরণা সবকিছুর সমাহার আছে জেলাটিতে,এতোটা প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য একসাথে আর কোনো জেলায় দেখা যায়না।

এর উপজেলার সংখ্যা ১৫ টি এবং পৌরসভার সংখ্যাও ১৫ টি,আছে একটি সিটি কর্পোরেশনও।চট্টগ্রাম বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন জেলা,যা ১৬৬৬ সালে গঠিত হয়।ব্রিটিশরা জেলাটির নাম দেন “চিটাগং”। বাংলাদেশের বৃহত্তম সমুদ্রবন্দরটি এই জেলাতেই অবস্থিত।দেশের বৈদেশিক বানিজ্যের শতকরা ৯০% এ বন্দর দিয়েই হয়।

৩.বান্দরবানঃ

দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়-পর্বত বেষ্টিত একটি জেলা বান্দরবান। আয়তন ৪৪৭৯ বর্গকিমি,যা আয়তনে দেশের তৃতীয় বৃহত্তম জেলা।উপজেলার সংখ্যা ৭ টি,পৌরসভা আছে ২ টি।বাংলাদেশের সবচেয়ে কম ঘনবসতিপূর্ণ জেলা এটি।জেলাটিতে রয়েছে অসংখ্য দর্শনীয় স্থান।মিয়ানমারের সাথে সরাসরি সীমান্তসংযোগ আছে বান্দরবানের।

৪.খুলনাঃ

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের রাজধানী বলা হয় খুলনাকে।জেলাটির আয়তন ৪৩৯৫ বর্গকিমি।আয়তনে এটি দেশের চতুর্থ বৃহত্তম জেলা ও ৩য় বৃহত্তম শহর।সুন্দরবনের কোলঘেঁষা জেলাটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৮২ সালে।উপজেলার সংখ্যা ৯ টি,পৌরসভা আছে ২ টি এবং সিটি কর্পোরেশন ১টি।

৫.ময়মনসিংহঃ

দেশের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত ময়মনসিংহের আয়তন ৪৩৬৩ বর্গকিমি।জেলাটিতে ১৩ টি উপজেলা,৯ টি পৌরসভা ও ১ টি সিটি কর্পোরেশন আছে।গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত জেলাটি ১৭৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।গঠিত হওয়ার পর ময়মনসিংহ জেলাই ছিলো তৎকালীন ভারতীয় উপমহাদেশের সর্ববৃহৎ জেলা।

৬.নোয়াখালীঃ

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি সম্বৃদ্ধ জেলা নোয়াখালী।আয়তন ৪২০৩ বর্গকিমি।১৮২১ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।নোয়াখালীই বাংলাদেশের একমাত্র জেলা যার নিজ নামে কোনো শহর নেই।নোয়াখালীর প্রধান শহর হল মাইজদী।১৯৪৮ সালে এর উপজেলা সদর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেলে প্রধান শহর মাইজদীতে স্থানান্তর করা হয়।এখন এটিই জেলার প্রধান শহর।জেলাটিতে ৯ টি উপজেলা ও ৮ টি পৌরসভা আছে।

৭.বাগেরহাটঃ

বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের সুন্দরবনের কোলঘেঁষা জেলা বাগেরহাট।খুলনা বিভাগের অন্তর্গত জেলাটির আয়তন ৩৯৫৯ বর্গকিমি।উপজেলার সংখ্যা ৯ টি ও পৌরসভা আছে ৩টি।মংলা পোর্ট ও রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র এই জেলাতেই অবস্থিত।এ অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে নারকেল ও সুপারি গাছ জন্মে। সুন্দরবনের ১৮৩৪ বর্গকিমি এলাকা বাগেরহাটের মধ্যে পড়েছে।

৮.সাতক্ষীরাঃ

সাতক্ষীরা দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত।আয়তন ৩৮৫৮ বর্গকিমি,এরমধ্যে দক্ষিণাংশের ১৪৪৫.১৮ বর্গকিমি এলাকা সুন্দরবনের অন্তর্ভুক্ত।জেলাটিতে ৭ টি উপজেলা ও ২ টি পৌরসভা আছে।এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে মোটামুটি ১৬ ফুট উঁচুতে অবস্থিত। সাতক্ষীরায় ব্যপক আমের চাষ হয় এবং এখানকার আমই সর্বপ্রথম বিদেশে রপ্তানি করা হয়।

৯.সুনামগঞ্জঃ

হাওড় এলাকার অন্তর্গত সুনামগঞ্জ দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত।আয়তন ৩৭৪৭ বর্গকিমি।উপজেলার সংখ্যা ১১টি,পৌরসভা ৪ টি।জেলাটিতে অবস্থিত টাঙ্গুয়ার হাওড় সুন্দরবনের পর ইউনেস্কো কর্তৃক দেশের ২য় রামসার সাইট হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়।

১০.সিলেটঃ

এটি দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি জেলা।জৈন্তিয়া পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত জেলাটির আয়তন ৩৪৫২ বর্গকিমি।উপজেলার সংখ্যা ১৩ টি,পৌরসভা ৪ টি এবং সিটি কর্পোরেশন আছে ১টি।সিলেটকে বলা হয় দেশের আধ্যাত্মিক রাজধানী,৩৬০ আউলিয়ার শহর।জেলাটির অনেক অধিবাসীই যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাস করে,এজন্য সিলেটকে বিশ্বের ২য় লন্ডন ও বলা হয়।

গুগল নিউজ ফলো করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *