পারমাণবিক সংখ্যা কাকে বলে

পারমাণবিক সংখ্যা কাকে বলে ?

Rate this post

পারমাণবিক সংখ্যা কাকে বলে ?

১.পারমাণবিক সংখ্যা কাকে বলে?
উত্তরঃ কোন পদার্থের পরমাণুর নিউক্লিয়াসে অবস্হিত প্রোটনের মোট সংখ্যাকে পারমাণবিক সংখ্যা বলে।
২. বদ্ধ ও মুক্ত ইলেকট্রন কী?
উত্তরঃ কাচ,রাবার,মাইকা ইত্যাদি ইনসুলেটিং পদার্থের বহিস্হ কক্ষপথের ইলেকট্রন গুলো প্রবল আকর্ষণ শক্তি দ্বারা শক্তভাবে কেন্দ্রের সাথে বাধা থাকে এদেরকে বদ্ধ ইলেকট্রন বলে।
তামা,অ্যালুনিনিয়াম ইত্যাদি পদার্থের বহিস্হ কক্ষপথের ইলেকট্রন অত্যন্ত হালকাভাবে কেন্দ্রের সাতে আবদ্ধ থাকে এদেরকে মুক্ত ইলেকট্রন বলে।
৩. কুলম্ব কী?
উত্তরঃ কোনো বৈদ্যুতিক সার্কিটের মধ্য দিয়ে এক সেকেন্ডে যতগুলো ইলেকট্রন প্রবাহিত হয় তাকে S.I এককে এক কুলম্ব বলে।

১ শতাংশ কত বর্গফুট – 1 শতাংশ= কত ফুট?
১ কুলম্ব= ৬.২৫*১০^১৮ টি ইলেকট্রন

পারমাণবিক সংখ্যা কাকে বলে
পারমাণবিক সংখ্যা কাকে বলে

৪. বিদ্যুৎ প্রবাহের ফলে কি কি প্রতিক্রিয়া দেখা যায়?
উত্তরঃ ক.তাপীয় ক্রিয়া
খ. চৌম্বকীয় ক্রিয়া
গ. রাসায়নিক ক্রিয়া
ঘ. শারীরবৃত্তীয় ক্রিয়া
৫. ভ্যালেন্স ইলেকট্রন কী?
উত্তরঃ পরমাণুর বহিস্হ কক্ষপথের ইলেকট্রন সংখ্যাকে ভ্যালেন্স ইলেকট্রন বলে।
৬. AC ও DC এর মধ্যে মূল পার্থক্য কি ?
উত্তরঃ Ac হল দ্বিমুখী প্রবাহ আর Dc হল এক মুখি প্রবাহ
AC হচ্ছে বিদ্যুতের দ্বিমুখী প্রবাহ যা আমরা বাড়ী বা ইন্ড্রাস্ট্রিতে পাই এবং সরবরাহ করা হয় পাওয়ার ইউটিলিটি গ্রিড থেকে। DC হচ্ছে বিদ্যুতের একমুখী প্রবাহ যা আমরা পাই ব্যাটারি থেকে।
AC= Alternating Current
DC= Direct Current
AC হল পরিবর্তনশীল বিদ্যুৎ প্রবাহ।
DC হল অপরিবর্তনশীল বিদ্যুৎ প্রবাহ।
AC কারেন্ট একটি দিকবর্তী প্রবাহ । যা প্রতি সেকেন্ডে ৫০ থেকে ৬০ বার দিক পরিবর্তন করে থাকে । অপর দিকে DC হচ্ছ অপ্রত্যাবর্তী প্রবাহ । যা সময়ের সাথে দিক পরিবর্তন করে না ।
৭. ফ্যান আস্তে অথবা জোরে যেভাবে ছাড়া হোক বিদ্যুৎ কি একই খরচ হয়?
উত্তরঃ আমরা সাধারণত দুই প্রকারের ফ্যান রেগুলেটর ব্যবহার করে থাকি। (ক) ইলেকট্রিক্যাল রেগুলেটর (খ) ইলেকট্রনিক রেগুলেটর। ইলেকট্রিক্যাল রেগুলেটর তৈরি হয় ট্যাপিং যুক্ত ইন্ডাকটরের দ্বারা। বৈদ্যুতিক ফ্যান চলার সময় এই রেগুলেটর কমিয়ে দিলে ফ্যানের রোটেশন কমে কিন্তু রেগুলেটর উত্তপ্ত হয়। এই অপ্রয়োজনীয় উত্তাপের কারনে বৈদ্যুতিক পাওয়ার খরচ হয়। ফলে ইলেকট্রিক্যাল রেগুলেটর ব্যবহার করলে ফ্যানের গতি কম-বেশির সাথে রেগুলেটর লস যথাক্রমে বেশি ও কম হয় ফলে বৈদ্যুতিক পাখার গতি যাই হোক, বিদ্যুৎ খরচ প্রায় একই হয়।
অন্যদিকে ইলেকট্রনিক রেগুলেটর তৈরি হয় থাইরিস্টর জাতীয় ইলেকট্রনিক সুইচিং ডিভাইস দিয়ে। এতে অপ্রয়োজনীয় উত্তাপের পরিমাণ অত্যন্ত নগন্য থাকায় রেগুলেটর লস হয় না বললেই চলে। ফলে বৈদ্যুতিক পাখার গতি কমালে বিদ্যুৎ খরচ কমে এবং পাখার গতি বাড়ালে বিদ্যুৎ খরচ বাড়ে। তাই ইলেকট্রনিক রেগুলেটর ব্যবহার করলে ফ্যানের গতি কম হলে বিদ্যুৎ খরচও কম হয় ।
ভোল্টামিটার এবং অ্যামমিটারকে বর্তনীতে কিভাবে যুক্ত করা হয় ?
তড়িৎ বর্তনীর যে দুটি বিন্দুর বিভব প্রভেদ মাপতে হবে সেই দুটি বিন্দুর সঙ্গে ভোল্টামিটারকে সমান্তরাল সমবায়ে যুক্ত করা হয় । আবার কোনো তড়িৎ বর্তনীর প্রবাহমাত্রা পরিমাপ করতে অ্যামমিটারকে তড়িৎবর্তনীতে শ্রেণি সমবায়ে যুক্ত করা হয় ।
আমিটারকে বর্তনীর সাথে সিরিজে এবং ভোল্টমিটারকে প্যারালালে সংযুক্ত করতে হয়।
৮. ট্রান্সডিউসার ও সেন্সরের মধ্যে পার্থক্য কি?
উত্তরঃ Transducer – ইহার Output সাধারনত Analog হয়। ইহা দ্বারা সাধারনত কোন কিছুর চাপ বা Pressure নির্নয় করা হয়। ইহার Output সাধারনত – 0 – 10V, 0 – 20mah হয়।
গঠন : ইহার ভিতরে Coil যুক্ত ডায়াফ্রাম থাকে একটি গোলাকার Iron বা Magnet দন্ডের চারপাশে মিলে, অর্থাৎ গোলাকার দন্ডের মধ্যে।
চাপ বা Pressure এর মাধ্যমে উক্ত ডায়াফ্রাম Core এর মধ্যে Up – Down করে Coil এর মধ্যে দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহের তারতম্য ঘটায়। ঐ বিদ্যুৎ প্রবাহের তারতম্য Calculation করে Output নির্ধারণ করা হয়।
আর সাধারন Sensor দ্বারা Digital Output পাওয়া যায়।
আশা করি বুঝতে পেরেছেন।
যে সকল ডিভাইস এক প্রকার শক্তিকে আরেক প্রকার শক্তিতে রুপান্তর করে তাহাই ট্রান্সডিউসার।
আর ট্রাসডিউসারকে যখন বিশেষ উদ্দেশ্যে তৈরি কোন যন্ত্রের সহায়ক হিসেবে ব্যবহার করা হয় তখ তাকে ঐ যন্ত্রের সেন্সর বলা হয়।
৯. এ্যামপিয়ার টার্ন কি?
উত্তরঃ ম্যাগনেটিক সার্কিটের তারের পেঁচ ও প্রবাহিত কারেন্টের গুণফলকে এ্যামপিয়ার টার্ন বলে। এটি ম্যাগনেটো মোটিভ ফোর্স বা এম.এম.এফ. এর একক।
এ্যামপিয়ার টার্ন AT, কারেন্ট I এবং তারের পেঁচ সংখ্যা N হলে,
AT = IN
১০. রিল্যাকট্যান্স কি?
উত্তরঃ ম্যাগনেটিক ফ্লাক্স পথের বাধাকে রিল্যাকট্যান্স বলে।
এটি ইলেকট্রিক সার্কিটের রেজিস্ট্যান্সের মত। এর প্রতীক R এবং একক এ্যামপিয়ার টার্ন/ওয়েবার।
দৈর্ঘ্য L, এ্যাবসলিউট পারমিয়্যাবিলিটি µ, ভ্যাকুয়ামে এ্যাবসলিউট পারমিয়্যাবিলিটি µ০ ক্ষেত্রফল A হলে,
R = L/µ0µA
১১. ইলেকট্রো স্ট্যাটিক ফিল্ড কি?
উত্তরঃ যে স্থানে একটি একক চার্জ যে বল অনুভব করে তাকে ইলেকট্রো স্ট্যাটিক ফিল্ড বলে।
১২. বৈদ্যুতিক বল রেখার বৈশিষ্ট্য কি?
উত্তরঃ ১. বৈদ্যুতিক বল রেখা পজেটিভ চার্জ হতে বের হয়ে নেগেটিভ চার্জে শেষ হয়।
২. বল রেখাগুলো খোলা ও বক্র।
৩. বল রেখাগুলো পরস্পরকে কখনও ছেদ করে না।
৪. বল রেখাগুলো দৈর্ঘ্য বরাবর সংকুচিত হয়।
৫. বল রেখাগুলো পরস্পরের উপর পার্শ্ব চাপ দেয়।
১৩. সাইকেল কি?
উত্তরঃ অলটারনেটিং কারেন্ট কোন একদিকে প্রবাহিত হয়ে শূন্য হতে সর্বোচ্চ অবস্থানে, সর্বোচ্চ অবস্থান হতে আবার শূন্য অবস্থানে এবং বিপরীতক্রমে শূন্য হতে সর্বোচ্চ অবস্থানে, সর্বোচ্চ অবস্থান হতে আবার শূন্য অবস্থানে ফিরে আসে তাকে সাইকেল বলে।
১৪. ফ্রিকোয়েন্সী কি?
উত্তরঃ কোন পরিবর্তনশীল রাশির প্রতি সেকেন্ডে যতগুলি সাইকেল সস্পন্ন হয় তাকে ফ্রিকোয়েন্সী বলে।
একে f দ্বারা প্রকাশ করা হয়। টাইম পিরিয়ড T হলে, f = 1/T
১৫. পিরিয়ড কি?
উত্তরঃ কোন পরিবর্তনশীল রাশির এক সাইকেল সম্পন্ন হতে যে সময়ের প্রয়োজন তাকে পিরিয়ড বলে।
একে T দ্বারা প্রকাশ করা হয়। ফ্রিকোয়েন্সী f হলে, T = 1/f
১৬. ফেজ কি?
উত্তরঃ পরিবর্তনশীল রাশির কোন নির্দিষ্ট সময়ে এর কৌণিক অবস্থানকে ফেজ বলে।
১৭. ফেজ অ্যাঙ্গেল কি?
উত্তরঃ এ.সি. সার্কিটে ভোল্টেজ এবং কারেন্টের মধ্যবর্তী কোণকে ফেজ অ্যাঙ্গেল বলে।
১৮. অলটারনেশন কি?
উত্তরঃ পরিবর্তনশীল রাশির অর্ধ সাইকেলকে অলটারনেশন বলে।
১৯. ফর্ম ফ্যাক্টর কি?
উত্তরঃ কোন সাইন ওয়েভের আর.এম.এস. এবং গড় মানের অনুপাতকে ফর্ম ফ্যাক্টর বলে।
একে Kf দ্বারা প্রকাশ করা হয়। Kf = আর.এম.এস./ গড় মান
২০. পিক ফ্যাক্টর কি?
উত্তরঃ কোন ওয়েভের সর্বোচ্চ মান ও আর.এম.এস. মানের অনুপাতকে ক্রেস্ট ফ্যাক্টর বা পিক ফ্যাক্টর বা এ্যামপ্লিচুড ফ্যাক্টর বলে। একে Ka দ্বারা প্রকাশ করা হয়। Ka = সর্বোচ্চ মান / আর.এম.এস. মান
২১. পাওয়ার ফ্যাক্টর কয় প্রকার?
উত্তরঃ পাওয়ার ফ্যাক্টর তিন প্রকারঃ
১. ল্যাগিং পাওয়ার ফ্যাক্টর (Lagging Power Factor).
২. লিডিং পাওয়ার ফ্যাক্টর (Leading Power Factor).
৩. ইউনিটি পাওয়ার ফ্যাক্টর (Unity Power Factor)
২২. পাওয়ার ফ্যাক্টর কি?
উত্তরঃ এ.সি. সার্কিটে কারেন্ট ও ভোল্টেজের মধ্যবর্তী কোণের কোসাইন মানকে পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে।
অথবা
অ্যাকটিভ পাওয়ার ও আপাত পাওয়ারের অনুপাতকে পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে।
কারেন্ট ও ভোল্টেজের মধ্যবর্তী কোণ ϴ হলে, পাওয়ার ফ্যাক্টর (pf) = Cosϴ
২৩. ল্যাগিং পাওয়ার ফ্যাক্টর কি?
উত্তরঃ এ.সি. সার্কিটে ক্যাপাসিটিভ লোডের চেয়ে ইন্ডাকটিভ লোড বেশী হলে, কারেন্ট ভোল্টেজের পরে অবস্থান করে, সার্কিটের এই অবস্থায় পাওয়ার ফ্যাক্টরকে ল্যাগিং পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে।
এই সার্কিটকে ইন্ডাকটিভ সার্কিটও বলে।
মনে রাখার সহজ উপায়: E L I
ই.এম.এফ.(E) ইন্ডাক্টর(L) কারেন্ট(I)
L তে ইন্ডাকটিভ সার্কিট, E তে ই.এম.এফ., I তে কারেন্ট।
ইন্ডাকটিভ সার্কিটে ভোল্টেজ আগে, কারেন্ট পরে।
২৪. লিডিং পাওয়ার ফ্যাক্টর কি?
উত্তরঃ এ.সি. সার্কিটে ইন্ডাকটিভ লোডের চেয়ে ক্যাপাসিটিভ লোড বেশী হলে, ভোল্টেজ কারেন্টের পরে অবস্থান করে, সার্কিটের এই অবস্থায় পাওয়ার ফ্যাক্টরকে লিডিং পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে।
এই সার্কিটকে ক্যাপাসিটিভ সার্কিট বলে।
মনে রাখার সহজ উপায়:
I C E
কারেন্ট(I) ক্যাপাসিটর(C) ই.এম.এফ.(E)
C তে ক্যাপাসিটিভ সার্কিট, E তে ই.এম.এফ., I তে কারেন্ট।
ক্যাপাসিটিভ সার্কিটে কারেন্ট আগে, ভোল্টেজ পরে।
২৫. ইউনিটি পাওয়ার ফ্যাক্টর কি?
উত্তরঃ এ.সি. সার্কিটে ইন্ডাকটিভ লোড ও ক্যাপাসিটিভ লোড সমান হলে, ভোল্টেজ ও কারেন্ট একসাথে অবস্থান করে, সার্কিটের এই অবস্থায় পাওয়ার ফ্যাক্টরকে ইউনিটি পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে।
এই সার্কিটকে রেজিস্টিভ সার্কিটও বলা হয়। ইউনিটি পাওয়ার ফ্যাক্টর সার্কিটের পাওয়ার ফ্যাক্টর 1 হয়।
২৬. ইলেকট্রিক ফ্লাক্স ডেনসিটি কি?
উত্তরঃ প্রতি একক ক্ষেত্রফলে যে পরিমাণ ইলেকট্রিক ফ্লাক্স অতিক্রম করে তাকে ইলেকট্রিক ফ্লাক্স ডেনসিটি বলে।
এর প্রতিক D এবং একক কুলম্ব/বর্গ মিটার।
২৭. ডাই ইলেকট্রিক পদার্থ কি?
উত্তরঃ ডাই ইলেকট্রিক শব্দের অর্থ অপরিবাহী।
যে সকল পদার্থ বিদ্যুৎ পরিবাহী নয়, মুক্ত ইলেকট্রন নেই এবং বৈদ্যুতিক শক্তিকে সঞ্চয় করে রাখতে পারে তাকে ডাই ইলেকট্রিক পদার্থ বলে।
২৮. ডাই ইলেকট্রিক কনস্ট্যান্ট কি?
উত্তরঃ একটি ক্যাপাসিটরের প্লেট সমূহের মধ্যবর্তী বৈদ্যুতিক বলরেখা গুলোকে কেন্দ্রীভূত করার ডাই ইলেকট্রিক পদার্থের সামর্থকে ডাই ইলেকট্রিক কনস্ট্যান্ট বলে।
২৯. এক ফ্যারাড কাকে বলে?
উত্তরঃ এক ভোল্ট বিভব পার্থক্যর কারণে যদি ডাই ইলেকট্রিকে এক কুলম্ব ইলেকট্রিক চার্জ সঞ্চিত হয়, তবে ঐ পরিমাণ ক্যাপাসিট্যান্সকে এক ফ্যারাড বলে।
৩০. ইলেকট্রলাইট কি?
উত্তরঃ সেলে রাসায়নিক বিক্রিয়ার জন্য যে তরল বা পেস্ট ব্যাবহার করা হয় তাকে ইলেকট্রলাইট বলে।
ইলেকট্রলাইট হিসেবে সালফিউরিক এসিড, নাইট্রিক এসিড, এ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড, এ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড ইত্যাদি ব্যাবহার করা হয়।
ড্রাই সেলে পেস্ট ইলেকট্রলাইট এবং লিকুইড সেলে তরল ইলেকট্রলাইট ব্যাবহার করা হয়।
৩০. প্রাইমারী সেল কি?
উত্তরঃ যে সেলের শক্তি শেষ হয়ে গেলে পুনরায় একে কর্মক্ষম করা যায় না তাকে প্রাইমারী সেল বলে।
অল্প পাওয়ারের প্রয়োজন এমন যায়গায় সাধারণত প্রাইমারী সেল ব্যাবহার করা হয়। যেমনঃ ঘড়ি, রিমোট কন্ট্রোল, খেলনা ইত্যাদি।
৩১. কারেন্ট কাকে বলে?
উত্তরঃ পরিবাহী পদার্থের মধ্যকার মুক্ত ইলেকট্রন সমূহ একটি নিদ্রিষ্ট দিকে প্রবাহিত হওয়ার হারকেই কারেন্ট বলে।
ইহাকে I বা i দ্বারা প্রকাশ করা হয়, এর একক অ্যাম্পিয়ার (A বা Amp.) অথবা কুলম্ব/সেকেন্ড ।
৩২ ভোল্টেজ কাকে বলে?
উত্তরঃ পরিবাহী পদার্থের পরমাণুগুলির মুক্ত ইলেকট্রন সমূহকে স্থানচ্যুত করতে যে বল বা চাপের প্রয়োজন সেই বল বা
চাপকেই বিদ্যুৎ চালক বল বা ভোল্টেজ বলে। একে V দ্বারা প্রকাশ করা হয় এর একক Volts.
৩৩. রেজিষ্ট্যান্স কাকে বলে?
উত্তরঃ পরিবাহী পদার্থের মধ্য দিয়ে কারেন্ট প্রবাহিত হওয়ার সময় পরিবাহী পদার্থের যে বৈশিষ্ট্য বা ধর্মের কারণে উহা
বাধাগ্রস্ত হয় উক্ত বৈশিষ্ট্য বা ধর্মকেই রোধ বা রেজিষ্ট্যান্স বলে। এর প্রতীক R অথবা r, আর একক ওহম (Ω)।
৩৪. ট্রান্সফরমার
উত্তরঃ ট্রান্সফরমার একটি ইলেক্ট্রিক্যাল মেশিন যা পরিবর্তনশীল বিদ্যুৎকে (Alternating current) এক ভোল্টেজ থেকে
অন্য ভোল্টেজে রূপান্তরিত করে। ট্রান্সফরমার স্টেপ আপ অথবা স্টেপ ডাউন দুই ধরনের হয়ে থাকে এবং এটি
ম্যাগনেটিক ইন্ডাকশন (Magnetic induction) নীতি অনুসারে কাজ করে। ট্রান্সফরমারে কোন চলমান/ঘূর্ণায়মান অংশ থাকে না, এটি সম্পূর্ণ স্থির ডিভাইস। ট্রান্সফরমারে দুটি উইন্ডিং থাকে, প্রাইমারি এবং সেকেন্ডারি উইন্ডিং । প্রাইমারি ওয়াইন্ডিয়ে ভোল্টেজ প্রদান করলে ম্যাগনেটিক ফিল্ড তৈরি হয় এবং ম্যাগনেটিক ফ্লাক্স আয়রন কোরের মধ্য দিয়ে সেকেন্ডারি ওয়াইন্ডিয়ে যায় এবং সেখানে ম্যাগনেটিক ফিল্ড তৈরি হয়। যার ফলশ্রুতিতে সেকেন্ডারি কয়েলে ভোল্টেজ পাওয়া যায়। ট্রান্সফরমারের ভোল্টেজ পরিবর্তনের হার প্রাইমারি এবং সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচ
সংখ্যার হারের উপর নির্ভর করে। তবে মনে রাখবেন, ট্রান্সফরমার শুধু ভোল্টেজের পরিবর্তন ঘটায় কিন্তু পাওয়ার
ও ফ্রিকুয়েন্সি অপরিবর্তিত থাকে। পাওয়ার ঠিক থাকে তাই ভোল্টেজ পরিবর্তনের জন্য কারেন্টেরও পরিবর্তন হয়।
৩৫. ট্রান্সফরমেশন রেশিও
উত্তরঃ ট্রান্সফরমারের উভয় দিকের ইন্ডিউসড ভোল্টেজ এবং কারেন্ট ও কয়েলের প্যাচের সংখার সাথে একটি
নিদ্রিস্ট অনুপাত মেনে চলে, ইহাই ট্রান্সফরমেশন রেশিও বা টার্ন রেশিও। ইহাকে সাধারণত a দ্বারা প্রকাশ করা হয়,
অর্থাৎ a = Ep/Es = Np/Ns = Is/Ip
৩৬. ইন্সট্রুমেন্ট ট্রান্সফরমার
উত্তরঃ CT (Current Transformer) এটি সাধারণত কম রেঞ্জের মিটার দিয়ে সার্কিটের বেশি পরিমান কারেন্ট পরিমাপ করার জন্য ব্যবহার করা হয়। PT (Potential Transformer) এটি সাধারণত কম রেঞ্জের মিটার দিয়ে সার্কিটের বেশি পরিমান ভোল্টেজ পরিমাপ করার জন্য ব্যবহার করা হয়। CT ও PT এভাবে ব্যবহার করা হলে এগুলোকে ইন্সট্রুমেন্ট ট্রান্সফরমার বলে।
৩৭. সার্কিট ব্রেকার
উত্তরঃ সার্কিট ব্রেকার হলো একটি বৈদ্যুতিক সুইচিং ডিভাইস যা দ্বারা ইলেকট্রিক্যাল সার্কিটকে সাপ্লাই হতে সংযুক্ত ও বিচ্ছিন্ন করা হয়। তবে এটি ইলেকট্রিক্যাল সার্কিটে নিয়ন্ত্রণ ও রক্ষনযন্ত্র হিসাবে কাজ করে। ওভার লোড বা শর্ট সাকিট দেখা দিলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঐ ইলেকট্রিকাল সার্কিটকে সরবরাহ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়। তবে সার্কিট ব্রেকার স্বয়ংক্রিয়ভাবে সার্কিটে সংযোগ করেনা ।
৩৮. আইসোলেটর
উত্তরঃ বৈদ্যুতিক সাবস্টেশনের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি বিশেষ করে ট্রান্সফরমারকে নো-লোড অবস্থায় বা সামান্য লোড
অবস্থায় লাইন হতে বিচ্ছিন্ন করার জন্য আইসোলেটর ব্যবহার করা হয়। অর্থাৎ আইসোলেটর এক ধরনের সুইস, যা
অফলাইনে অপারেটিং করা হয়।

Google News

৩৯. সাব-স্টেশন কাকে বলে?
উত্তরঃ পাওয়ার সিস্টেম ব্যবস্থায় সাব-স্টেশন এমন এক কেন্দ্র যেখানে এমন সব সরঞ্জামাদির ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বিভিন্ন
প্রকার বৈদ্যুতিক বৈশিষ্ট্য যেমন- ভোল্টেজ, এসি/ডিসি কনভার্সন, ফ্রিকুয়েন্সি, পাওয়ার ফ্যাক্টর ইত্যাদির পরিবর্তনে
সাহায্য করে, এ ধরনের কেন্দ্রকে সাব-স্টেশন বা বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র বলে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *